ইস্রায়েলের জ্যেষ্ঠ পুত্র রূবেণের সন্তান—রূবেণ জ্যেষ্ঠ ছিলেন বটে, কিন্তু তিনি আপন পিতার শয্যা অশুচি করিয়াছিলেন, এই জন্য তাঁহার জ্যেষ্ঠাধিকার ইস্রায়েলের পুত্র যোষেফের সন্তানদিগকে দেওয়া গেল, আর বংশাবলি জ্যেষ্ঠাধিকার অনুসারে উল্লেখ করা হয় না।
রূবেণ-সন্তানগণের, গাদীয়দের ও মনঃশির অর্দ্ধবংশের মধ্যে ঢাল ও খড়্গ ধারণে এবং ধনুক ব্যবহারে সমর্থ, যুদ্ধে নিপুন চোয়াল্লিশ সহস্র সাত শত ষাট জন বিক্রমী পুরুষ যুদ্ধযাত্রা-করিতে সমর্থ ছিল।
তাহারা তাহাদের বিপরীতে সাহায্য পাইল; তাহাতে হাগরীয়েরা ও তাহাদের সঙ্গী সমস্ত লোক তাহাদের হস্তে সমর্পিত হইল, কেননা তাহারা সংগ্রামে ঈশ্বরের কাছে ক্রন্দন করিল, আর তিনি তাহাদের প্রার্থনা শুনিলেন, যেহেতুক তাহারা তাঁহাতে বিশ্বাস করিল।
এই সকল লোক তাহাদের পিতৃকুলপতি ছিলেন; এফর, যিশী, ইলীয়েল, অস্রীয়েল, যিরমিয়, হোদবিয় ও যহদীয়েল, এই সকল বলবান বীর ও বিখ্যাত লোক আপন আপন পিতৃকুলের পতি ছিলেন।
তাহাতে ইস্রায়েলের ঈশ্বর অশূর-রাজ পূলের মন, অশূর-রাজ তিল্গৎ-পিল্নেষরের মন উত্তেজিত করিলেন, আর তিনি তাহাদিগকে অর্থাৎ রূবেণীয় ও গাদীয়দিগকে এবং মনঃশির অর্দ্ধবংশকে লইয়া গিয়া হেলহে, হাবোরে, হারাতে ও গোষণ নদীতীরে উপস্থিত করিলেন; অদ্যাপি তাহারা সেই স্থানে আছে।